A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

শ্রীলঙ্কায় সরকারেও থাকছে বিরোধী দল | Probe News

শ্রীলঙ্কায় সরকারেও থাকছে বিরোধী দল

প্রোবনিউজ, ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার রাজনীতিতে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটল। রনিল বিক্রমাসিংহের নতুন সরকারে যোগ দিয়েছে নির্বাচনে পরাজিত হওয়া সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপক্ষের দল। রাজাপক্ষের দলের সমর্থন নিয়ে গতকাল শুক্রবার আরেক মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রনিল বিক্রমাসিংহে। খবর এএফপির।

জাতীয় ঐক্যের নতুন সরকার গঠনে রাজাপক্ষের দল শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি (এসএলএফপি) বিক্রমাসিংহের ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) সঙ্গে বৃহত্তম জোট সরকারে যেতে সম্মত হয়। যদিও সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপক্ষে বিরোধী দলেই থাকবেন। ওই দুটি দলের মধ্যে সমঝোতার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে এসএলএফপির বেশ কয়েকজন সদস্য মন্ত্রিপরিষদে থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হবে। পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরু হবে আগামী ১ সেপ্টেম্বর।

গত সোমবার অনুষ্ঠিত পার্লামেন্ট নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই রাজনীতিতে রাজাপক্ষের শেষ দেখে ফেলেছিলেন। কিন্তু গতকাল নতুন সরকারে যোগ দিয়ে রাজনীতিতে থাকার জোরালো ইঙ্গিতই দিলেন রাজাপক্ষে।

রনিল বিক্রমাসিংহে এবারসহ চারবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন। নির্বাচনে তাঁর দল ইউএনপি ২২৫ আসনের পার্লামেন্টে সর্বোচ্চসংখ্যক ১০৬টি আসনে বিজয়ী হয়। রাজাপক্ষের দল পায় ৯৫টি আসন। তামিল ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স (টিএনএ) ১৬টি আসনে জয় পায়। টিএনএ জানিয়েছে, তারা জোটের সঙ্গে যোগ দেবে না। তবে দলটি নতুন সরকারকে ‘ইস্যুভিত্তিক’ সমর্থন দেবে। এর আগে রনিল বিক্রমাসিংহের দল তামিলদের দলের সমর্থনে সরকার গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছিল।

সিরিসেনা ও রাজাপক্ষে দুজনই এসএলএফপির জ্যেষ্ঠ নেতা। এই দলটির আনুষ্ঠানিক প্রধান প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা। যদিও দলটিতে রাজাপক্ষের প্রভাব বেশি। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সিরিসেনা সমর্থন দেন রনিল বিক্রমাসিংহের দল ইউএনপিকে। তবে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিক্রমাসিংহে দেশে বিভেদের রাজনীতি পরিত্যাগ করে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেন।

মাহিন্দা রাজাপক্ষের আমলেই শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গুঁড়িয়ে দেয়। কিন্তু অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে তামিলদের দমন করায় পশ্চিমাদের সমর্থন হারান তিনি। তবে ওই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটাতে সক্ষম হওয়ায় রাজাপক্ষে সংখ্যাগুরু সিংহলি সম্প্রদায়ের একটা অংশের কাছে আজও নায়ক।

৮ জানুয়ারির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে শ্রীলঙ্কার দীর্ঘদিনের নেতা মাহিন্দা রাজাপক্ষে তাঁরই সাবেক ঘনিষ্ঠ সহযোগী মাইথ্রিপালা সিরিসেনার হাতে অপ্রত্যাশিতভাবে ধরাশায়ী হন। প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর সিরিসেনা প্রধানমন্ত্রী করেন বিক্রমাসিংহেকে।
প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ভারত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রটিকে তিনি সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবেন। জানুয়ারি মাসে দেওয়া সংস্কার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সিরিসেনা প্রেসিডেন্টের অনেকগুলো নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফিরিয়ে দেবেন। প্রেসিডেন্ট থাকাকালে রাজাপক্ষে এসব ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছিলেন।

প্রোব/পি/দক্ষিণএশিয়া/২২.০৮.২০১৫

 

২২ আগ্‌স্ট ২০১৫ | দক্ষিণ এশিয়া | ১১:১৫:৫৫ | ১২:৫৭:৫০

দক্ষিণ এশিয়া

 >  Last ›