A PHP Error was encountered

Severity: Notice

Message: Only variable references should be returned by reference

Filename: core/Common.php

Line Number: 257

বছরে লোকশান ২২০ কোটি টাকা সেবার দৈন্যতায় ধুকছে ডাক বিভাগ | Probe News

Postal- 3 mar 27বছরে লোকশান ২২০ কোটি টাকা

সেবার দৈন্যতায় ধুকছে ডাক বিভাগ

শফিক রহমান, প্রোবনিউজ: ‘দেশ জুড়ে নেটওয়ার্ক আছে কিন্তু সেবা নেই’ বাংলাদেশ ডাক বিভাগের বর্তমান কর্মকান্ড মূল্যায়ন করতে গিয়ে এই মন্তব্য করলেন এ বিভাগেরই এক কর্মকর্তা। এমনকি ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস), পোস্টাল ক্যাশ কার্ডসহ নতুন নতুন সেবা নিয়েও এগুতে পারছে না এই সংস্থাটি। উপরš,‘ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে দীর্ঘ দিনের এজেন্সিশীপ। ফলে বছর বছর ভারী হচ্ছে রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানের লোকশানের পরিমাণ। হিসাব মতে, ২০০৭-০৮ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের লোকশানের পরিমান ছিল ১৭০ কোটি টাকা। ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে তা এসে ঠেকেছে ২২০ কোটি টাকায়।

সংস্থাটিকে টিকিয়ে রাখতে হলে সেবার তালিকায় আনতে হবে বৈচিত্র্য। এই ধারনা থেকে ডাক বিভাগের ট্রেডিশনাল মনিঅর্ডারের জায়গায় ২০১০ সালের ২৬ মার্চ যুক্ত হয় ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস)। যা শুধু ডাক বিভাগের ইতিহাসেই নয়, অর্থ আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে দেশের ইতিহাসেও ছিল প্রথম আধুনিক এবং সহজ পদ্ধতি। কিন্তু প্রোবনিউজের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, চার বছরেরও বেশি সময়ে নতুন এবং যুগোপযোগী এই উদ্ভাবনী ধারনা নিয়েও সফল হতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। বরং ডাক বিভাগের পরে বাজারে এসে অর্থ আদান-প্রদানের একচেটিয়া বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘বিকাশ’।
হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ইএমটিএস’র মাধ্যমে গ্রাহকদের মাঝে অর্থ আদান-প্রদানের কমিশন হিসাবে গত চার বছরে ডাক বিভাগ আয় করেছে মাত্র ৭৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। তাও আবার বছর বছর কমছে এ খাতের আয়। ২০১১-১২ সালে যেখানে এখাতে আয় হয়েছিল প্রায় ৩২ কোটি টাকা। ২০১৩-১৪ সালে তা থেকে আরো কমে দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি টাকায়।

ইএমটিএস সার্ভিস নিয়ে বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারার অন্যতম কারণ হলো অতিরিক্ত চার্জ। বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিকাশ’র মাধ্যমে অর্থ আদান-প্রদানে হাজার প্রতি যেখানে গ্রাহককে দিতে হচ্ছে ২০ টাকা। ইএমটিএস সার্ভিসে সেখানে আরো ৭টাকা বেশি ধরে দিতে হচ্ছে ২৭টাকা। ফলে ইএমটিএস সার্ভিসটি অর্থ আদান-প্রদানে শতভাগ ঝুঁকিমুক্ত হয়েও বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছে না বলে বলে মন্তব্য করেন ডাক বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রবাস চন্দ্র সাহা।

এছাড়া, এই সার্ভিসটির পদ্ধতিগত ও কৌশলগত দুর্বলতার চিত্র তুলে ধরেন ডাক বিভাগের অপর অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ কে এম শফিউর রহমান। তিনি বলেন, ইএমটিএস’র সেবা নিতে গ্রাহককে প্রথমত নির্ভর করতে হচ্ছে ৯টা-৫টা কর্মঘন্টার ওপর। তাছাড়া, এক মাত্র পোস্ট অফিস ছাড়া গ্রাহকের নাগালের মধ্যে কোন আউটলেট নেই। অথচ, গ্রাহকরা পাড়া মহল্লায় হাত বাড়ালেই বিকাশ-এর সেবা পেয়ে থাকেন।

জানা গেছে, সারা দেশে ডাক বিভাগের মোট পোস্ট অফিসের সংখ্যা ৮৯৮৬টি। এর মধ্যে মাত্র ২৭৫০টি থেকে গ্রাহকরা ইএমটিএস সার্ভিস নিতে পারছে। যদিও এর বিপরীতে শহরের অলি-গলিসহ গ্রামগঞ্জের ছোট চা-পানের দোকানেও রয়েছে বিকাশের সার্ভিস। আর গ্রাহককে নির্ভর করতে হচ্ছে না নির্দিষ্ট কর্মঘন্টার ওপর।

স্থবির পোস্টাল ক্যাশ কার্ড সার্ভিস

সেবার বৈচিত্র্য হিসেবে ২০১০ সালে ডাক বিভাগ চালু করে পোস্টাল ক্যাশ কার্ড সার্ভিস। বলা হয়েছিল- এই ক্যাশ কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে টাকা আদান প্রদান করতে পারবে। এমনকি নগদ টাকা বহনের পরিবর্তে ক্যাশ কার্ডে টাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারবে। শুধু হাতের নাগালে থাকতে হবে পোস্ট অফিস। কিন্তু চার বছরের মাথায় এসে দেখা গেছে, জনপ্রিয়তা পায়নি ডাক বিভাগের ক্যশ কার্ড সার্ভিসটিও।

জানা গেছে, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়াসহ দেশের ৩১টি উপজেলায় ২০১০ সালে পাইলট আকারে চালু করা হয় পোস্টাল ক্যাশ কার্ড সার্ভিস। এর পরের বছর ২০১১ সালের জুলাই থেকে প্রায় তিন লাখ কার্ড নিয়ে সারা দেশে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয় এ সার্ভিসের কার্যক্রম। কিন্তু এখন পর্যন্ত পোস্টাল ক্যাশ কার্ডের গ্রাহক সংখ্যা ৭০ হাজারের মধ্যে সীমাদ্ধ রয়েছে এবং অব্যাবহৃত অবস্থায় দুই লাখেরও অধিক কার্ড পড়ে রয়েছে বলে প্রোবকে জানিয়েছেন ডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেল মো. জাকির হাসান নূর।

তিনি আরো জানান, এ পর্যন্ত সারা দেশের মাত্র ১৩৪৬টি পোস্ট অফিসকে পোস্টাল ক্যাশ কার্ড ব্যবহারের সুযোগের আওতায় নেয়া সম্ভব হয়েছে।

এদিকে বহুল সম্ভাবনাময় এই পোস্ট কার্ডের ব্যবহারও সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে প্রকল্প ভিত্তিতে। যেমন, বিশ্বব্যংকের অর্থায়নে পরিচালিত স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্পের প্রায় ছয় লাখ সুবিধা ভোগীদেরকে এই পোস্টাল ক্যাশ কার্ড দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দেশের ২৮টি উপজেলার গ্রামীণ দরিদ্র ও দুস্থদের ভাতার টাকা বিতরণে স্বচ্ছতা আনতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি ।

এর আগে বিশ্বব্যাংকের একই প্রকল্পের (কন্ডিশনাল ক্যাশ ট্রান্সফার) আওতায় নীলফামারি জেলার জলঢাকা, লালমনির হাটের হাতিবান্ধা উপজেলায় এবং নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলার মোট ১৪১২৭ জন সুবিধাভোগীর ভাতার টাকা পোস্টাল ক্যাশ কার্ডের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়াও দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পটুয়াখালীর দশমিনা এবং রংপুরের ভুরুঙ্গামারি এলাকায় বাস্তবায়িত এমপাওয়ারমেন্ট জেনারেশন প্রোজেক্ট ফর পুওর (ইজিপিপি)-এর আওতায় ছয় হাজার সুবিধা ভোগীকে পোস্টাল কার্ড দেয়া হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালিন ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, দুস্থ ভাতাসহ প্রচলিত সব ধরনের ভাতা পোস্টাল ক্যাশ কার্ডের মাধ্যমে বিতরন করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করেন জাকির হাসান নুর।

ট্রেডিশনাল পার্সেল সার্ভিস

এদিকে ডাক বিভাগ বলছে, নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকেও যেখানে প্রতিদিন গড়ে ছয় থেকে সাড়ে ছয় লাখ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চিঠি হ্যান্ডল করতে হয়েছে। সেখানে এখন চিঠির সংখ্যা কমে এসেছে ৩০ থেকে ৪০ হাজারে। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি কমেছে ব্যক্তিগত চিঠির আদান-প্রদান। এতে রাজধানীর জিপিওসহ পোস্ট অফিসগুলোতেও আর দেখা যাচ্ছে না গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন। এমনকি জিপিও’র অধিকাংশ ফ্রন্টডেস্কই খালি থাকতে দেখা যায়। ফলে চিঠি আর ডাক বিভাগের লুকরেটিভ এরিয়া নয়। গুরুত্ব দিতে হবে পার্সেল সার্ভিসের ওপর এমনটি মনে করছেন ডিরেক্টর (মেইলস) আব্দুল্লাহ আল মাহবুবুর রশিদ।

তবে পার্সেল সার্ভিসের সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে এ কে এম শফিউর রহমান বলেন, ডাক বিভাগের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে দেশের যে কোন উপজেলায় দ্বিতীয় দিনে পার্সেল ডেলিভারি সম্ভব। তবে উভয়ই মনে করছেন জনবল ঘাটতি, দুর্বল ট্রান্সমিশন সিস্টেম এবং পরিবহন সার্ভিস ডাক বিভাগের হাতে না থাকায় ব্যহত হচ্ছে সময় মতো পার্সেল ডেলিভারির কাজ। আস্থা হারাচ্ছে গ্রাহক। প্রতিযোগীতায় পিছিয়ে পড়ছে ডাক বিভাগ।
জানা গেছে, ডাক বিভাগের চিঠি পত্র আদান প্রদানে বর্তমানে চট্টগ্রাম ও সিলেট এলাকার জন্যে নির্ভর করতে হচ্ছে ট্রেন সার্ভিসের ওপর। বরিশাল অঞ্চলের জন্যে লঞ্চ সার্ভিসের ওপর এবং খুলনা অঞ্চলের চিঠি আদান প্রদানে বেসরকারি পরিবহন ঈগল সার্ভিসে সঙ্গে ডাক বিভাগের চুক্তি রয়েছে। শুধু রাজশাহী অঞ্চলের চিঠি আদান প্রদানে ডাক বিভাগের নিজস্ব দুটি গাড়ি রয়েছে।

তবে আশার কথা হচ্ছে নিজস্ব পরিবহন সার্ভিস গড়ে তুলতে ‘স্ট্রেন্থদেনিং মেইল ট্রান্সমিশন সিস্টেম অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে যাক বিভাগ। প্রকল্পের আওতায় ১১৮টি গাড়ি কেনা হবে এবং প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৬ কোটি ৩৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। দুই বছর মেয়াদী এ প্রকল্প প্রস্তাবটি পরিকল্পনা কমিশনের যাচাই বাছাই শেষে একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে জানা গেছে।

এদিকে কয়েক বছর আগেও যেখানে মোট চিঠির ৮০ ভাগ ছিল পার্সন টু পার্সন চিঠি। সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে প্রতিনিধিত্ব করছে বিজনেস চিঠি। কিন্তু সেই বিজনেস চিঠির বাজার দখলের প্রতিযোগীতায়ও পিছিয়ে রয়েছে ডাক বিভাগ। এক্ষেত্রে জনবল ঘাটতি, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা এবং বিজনেস চিঠি ও বাল্ক চিঠি হ্যান্ডলের সক্ষমতার অভাবকেই দায়ি করছেন ডাক বিভাগ সংশ্লিষ্ঠরা।

জানা গেছে, ২০০৮ সালে ডাক বিভাগের সঙ্গে ২২টি বেসরকারি ব্যাংক চুক্তিবদ্ধ হয়। তাদের প্রায় পাঁচ লাখ চিঠি আদান প্রদান করবে ডাক বিভাগ। এরই অংশ হিসাবে ওই বছরের কোন একদিন এক সঙ্গে ২৭ হাজার চিঠি আসে। কিন্তু সেই চিঠি নিয়ে খোদ ডাক বিভাগের কর্মকর্তাদেরকেই বিপাকে পরতে হয়েছে বলে জানান ডাক বিভাগের এক কর্মকর্তা।

আব্দুল্লাহ আল মাহবুবুর রশিদ বলেন, ঢাকা শহরের পরিধি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, জনসংখ্যা বাড়ছে, বাড়ছে হাইরাইজ ভবনের সংখ্যা। কিন্তু সেই অনুপাতে ডাক বিভাগের জনবল নেই। ভবনের নিচ তলায় চিঠি সিগনেচার করে রাখবে এমন ডেজিগনেটেড লোকও থাকছে না। আবার ডেলিভারি ম্যানদের পক্ষেও প্রতিটি ভবনের ওপরে গিয়ে চিঠি বিলি সম্ভব নয়। ফলে নানা ভাবেই আস্থা হারাচ্ছে ডাক বিভাগ।

প্রসঙ্গত, ঢাকা শহরে ডাক বিভাগের মোট ডেলিভারি ম্যানের পদের সংখ্যা ২৯৩টি। এর মধ্যে ৪৬টি পদ শুন্য রয়েছে বলে জানা গেছে।


হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে এজেন্সিশীপ

আগে যেখানে ডাক বিভাগের হাতে ভিহিকেল ট্যাক্স, পাসপোর্ট, সঞ্চয়স্কীম, ডাক জীবন বীমা, রেভিনিউ স্ট্যাম্প, ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রিসহ ১০৪টি এজেন্সিশীপ ছিল। বর্তমানে তা কমে এসে ঠেকেছে ৫৪টিতে। এর মধ্যে মটর ভিহিকেল ট্যাক্স খাতে সরকারের প্রায় ২০০ কোটি টাকা চুরি বন্ধে ২০০৮ সালে ডাক বিভাগ স্থাপণ করে সেন্ট্রাল সার্ভার। ট্যাক্স সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে কর দাতার রশিদে দেয়া হয় একটি পুশ-পুল কোড। যেই পুশ-পুল কোড নাম্বারে ট্রাফিক পুলিশ যে কোন মোবাইল থেকে ফোন করলেই জানতে পারতেন টাকাটা আসলেই সরকারের খাতে জমা হয়েছে কিনা?

জানা গেছে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেনের সময়ে ডাক বিভাগের ভিহিকেল ট্যাক্স সংগ্রহের এজেন্সিশীপ কেড়ে নিয়ে বেসরকারি ব্যাংক সাউথইস্ট ব্যাংককে দেয়া হয়েছে।

অভিযোগের তীর মহাপরিচালকের দিকে

ডাক বিভাগের চাকা সচল রাখতে ছয় বছরেরও অধিক সময় আগে সেবার তালিকায় নতুন যোগ হয় ইএমটিএস ও পোস্টাল ক্যাশ কার্ড সার্ভিস। এছাড়াও গুরুত্ব দেয়া হয় এক্সপ্রেস পার্সেল সার্ভিসের ওপর। কিন্তু নানা জটিলতায় কোনটি নিয়েই সফল ভাবে এগুতে পারছে না ডাক বিভাগ। আর এর জন্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান মহাপরিচালকের ব্যার্থতা, কর্মতৎপরাত, দূরদর্শিতার অভাব এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারাকেই দায়ী করছেন ডাক বিভাগ সংশ্লিষ্টরা। তাদের সকলেরই মন্তব্য ‘ডাক বিভাগ নিয়ে স্বপ্ন আছে কিন্তু সুযোগ পাচ্ছি না’। যদিও ডাক বিভাগের বর্তমান চাল চিত্র নিয়ে মহাপরিচালক নায়েব দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান ‘আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলি না’।

তুলে নেয়া হচ্ছে রাস্তার ধারের পোস্ট বক্স

চিঠির সংখ্যা কমার সঙ্গে সঙ্গে কমছে নগরির রাস্তার ধারের পোস্ট বক্সের সংখ্যা। নগরির মোট ১৪০টি স্পটে বসানো হয়েছিল পোস্ট বক্স। এর মধ্যে কোথাও এক আবার কোন কোন পয়েন্টে দেশ, জাতীয় ও নগরী এই ক্যাটাগরি ভেদে বসানো হয়েছিল তিনটি করে বক্স। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ১১টি স্পটের পোস্ট বক্স ডাক বিভাগ তুলে নিয়ে গেছে। স্থানগুলো হলো গ্রীন রোড, কলাবাগান, শাহবাগ পুলিশ কন্ট্রোল রুম, বুয়েট, আর্ট কলেজ, মুগদাপাড়া, শান্তিবাগ, পল্লবী পুলিশ ফাড়ি, শেওড়াপড়া, বসুন্ধরা এবং মহাখালী আমতলা। পোস্ট বক্সগুলো ভেঙ্গে গেছে বলে তুলে নেয়া হয়েছে এমনটি জানালেন ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল (ঢাকা সাউথ) কে এম আবুল কালাম আযাদ। তিনি আরো জানান, বক্সগুলো মেইটেনেন্স বাবদ বছরে বাজেট থাকে পাঁচ হাজার টাকা।

প্রোব/পি/শর/পিএস/জাতীয়/২৫.০৩.২০১৫

২৭ মার্চ ২০১৫ | জাতীয় | ২১:৫৫:৪০ | ১২:২৬:১৭

জাতীয়

 >  Last ›